পর্যটনের টানে বদলে যাচ্ছে পাহাড়, খুলছে নতুন জীবিকার দুয়ার
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০১-০৮-২০২৬ ০২:১২:৩১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০১-০৮-২০২৬ ০২:১২:৩১ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে সবুজের সমারোহ। কোথাও মেঘের সঙ্গে পাহাড়ের লুকোচুরি, কোথাও ঝরণা-ছড়া, কিংবা সবুজ অরণ্য। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পাহাড়ের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, খাবার, পোশাক ও জীবনযাত্রা। প্রকৃতি ও সংস্কৃতির এই বৈচিত্র্যের কারণে দেশের পর্যটন মানচিত্রে আলাদা অবস্থান তৈরি করেছে খাগড়াছড়ি।
আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, হর্টিকালচার হেরিটেজ পার্ক, রিছাং ঝরণা, মায়াবিনী লেকসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ছুটির দিন ও পর্যটন মৌসুমে বাড়ে পর্যটকের ভিড়। পর্যটকদের ঘিরে শহর ও পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে গড়ে উঠেছে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, ছোট দোকান, স্থানীয় খাবার ও কৃষিপণ্যের ব্যবসা। পর্যটনের এই বিস্তারের সঙ্গে ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে পাহাড়ের মানুষের আয়-রোজগারের ধরনও।
একসময় পাহাড়ের বহু পরিবারের প্রধান অবলম্বন ছিল কৃষিকাজ। কৃষিনির্ভর সেই অর্থনীতির সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে পর্যটননির্ভর নানা কর্মকাণ্ড। কেউ গাড়ি চালাচ্ছেন, কেউ হোটেল-রেস্তোরাঁয় কাজ করছেন, কেউ স্থানীয় খাবার বিক্রি করছেন, আবার কেউ গাইড, কিংবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হিসেবে আয় করছেন। ফলে পর্যটন এখন শুধু বিনোদনের খাত নয়, অনেকের কাছে হয়ে উঠছে বিকল্প জীবিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।
পর্যটনসংশ্লিষ্টদের মতে, সম্ভাবনার তুলনায় খাগড়াছড়িতে পর্যটন এখনও অনেকটাই অপরিকল্পিত। পর্যাপ্ত অবকাঠামো, বিনিয়োগ, পর্যটনকেন্দ্রগুলোর মধ্যে যোগাযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতি রয়েছে। এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে পারলে পর্যটন খাত জেলার অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখতে পারে।
পর্যটকের ব্যয়, বহু মানুষের আয়:
একজন পর্যটক খাগড়াছড়িতে এসে শুধু কোনো পর্যটনকেন্দ্রের টিকিট কেনেন না। তিনি গাড়ি ভাড়া করেন, হোটেলে থাকেন, রেস্তোরাঁয় খাবার খান, স্থানীয় ফলমূল ও খাবার কেনেন কিংবা হস্তশিল্পপণ্য কেনেন। অর্থাৎ একজন পর্যটকের ব্যয় সরাসরি ও পরোক্ষভাবে স্থানীয় বহু মানুষের আয়ের সুযোগ তৈরি করে।
এই অর্থনৈতিক শৃঙ্খলকে আরও সংগঠিত করা গেলে পর্যটন খাগড়াছড়ির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতে পরিণত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষ করে পাহাড়ের তরুণদের জন্য পর্যটন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে। কৃষিকাজের পাশাপাশি গাড়ি চালানো, রেস্তোরাঁ, আবাসন, গাইডিং, ফটোগ্রাফি, অনলাইন প্রচার, হস্তশিল্প ও স্থানীয় খাবারের ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
পর্যটনের সুফল পাচ্ছেন পাহাড়ের বাসিন্দারা:
পর্যটনের বিস্তারের ফলে শুধু শহরকেন্দ্রিক ব্যবসায়ীরাই নন, প্রত্যন্ত এলাকার অনেক বাসিন্দাও বিভিন্নভাবে উপকৃত হচ্ছেন। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ফলমূল, শাকসবজি, বাঁশ-বেতের তৈরি পণ্য, পাহাড়ি খাবার, পোশাক ও হস্তশিল্প পর্যটকদের কাছে বিক্রির সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
পর্যটনকেন্দ্রের আশপাশে ছোট খাবারের দোকান, চায়ের দোকান, ফলের দোকান ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা গড়ে উঠছে। স্থানীয় তরুণদের কেউ কেউ পর্যটকদের গন্তব্য দেখানো, পরিবহন সহযোগিতা কিংবা বিভিন্ন সেবা দেওয়ার মাধ্যমে আয় করছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এভাবে পর্যটনের সঙ্গে স্থানীয় অর্থনীতির সংযোগ যত বাড়বে, ততই পাহাড়ের মানুষের সামনে বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরি হবে। এতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি তরুণদের কর্মসংস্থানও বাড়বে।
পর্যটনবিরোধিতার পেছনে স্বার্থান্বেষী মহল—স্থানীয়দের অভিযোগ:
তবে পর্যটনের সম্ভাবনার পাশাপাশি এ খাতের বিকাশে নানা বাধার অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়দের একটি অংশের অভিযোগ, পাহাড়ের পর্যটন খাত বিকশিত হলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে, কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং অনেক পরিবার নিজেদের উদ্যোগে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে। এ কারণে স্বার্থান্বেষী কিছু মহল পর্যটনের বিকাশে নানা অপপ্রচার ও বাধা সৃষ্টি করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠলে পাহাড়ের সাধারণ মানুষ নানা ধরনের প্রভাব, উসকানি বা তথাকথিত আন্দোলনের ওপর নির্ভরশীল থাকবে না। নিজেদের কর্মসংস্থান ও ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকবে তারা। এ কারণে পাহাড়ের বাসিন্দাদের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রাখতে কোনো কোনো মহল পর্যটনসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
একই সঙ্গে পর্যটন উন্নয়নের নামে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার, ভূমি, সংস্কৃতি ও পরিবেশ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মায়াবিনী লেক:
খাগড়াছড়ির পর্যটন সম্ভাবনার অন্যতম উদাহরণ মায়াবিনী লেক। স্থানীয়দের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই পর্যটনকেন্দ্র দেখিয়েছে, স্থানীয় মানুষ নিজেদের উদ্যোগে পর্যটন অবকাঠামো ও ব্যবসা গড়ে তুলতে পারেন।
পানছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের ভাইবোনছড়া কংচাইরীপাড়া এলাকায় প্রায় ১৫ একর জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে মায়াবিনী লেক। সেখানে লেকের পানিতে মাছ চাষের পাশাপাশি গড়ে তোলা হয়েছে ফলজ বাগান। লেকে রয়েছে প্যাডেল বোট, বাঁশের সাঁকোসহ পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন বিনোদনসুবিধা।
মায়াবিনী লেকের দায়িত্বে থাকা নিয়ঙ্গ মারমা জানান, লেকে মাছ চাষ করা হচ্ছে। ফল বাগান গড়ে তুলা হয়েছে। লেক কেন্দ্র করে এ এলাকায় পর্যটকের সমাগম হচ্ছে তাই স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন ব্যবসার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এ ধরনের উদ্যোগকে শুধু একটি বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে না দেখে স্থানীয় অর্থনীতির একটি সম্ভাব্য মডেল হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে বলে মনে করছেন পর্যটনসংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় উদ্যোগ, স্থানীয় শ্রম ও স্থানীয় পণ্যকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে পর্যটনের আয় আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।
বাড়ছে আবাসন ও সেবাখাত:
পর্যটন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবাসন খাতেও পরিবর্তন এসেছে। খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেলের ব্যবস্থাপক ক্যাচিং মারমা জানান, পর্যটনকে কেন্দ্র করে জেলায় বর্তমানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হোটেল-মোটেল গড়ে উঠেছে। খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেলে পর্যটকদের নিরাপদ থাকার ব্যবস্থা ছাড়াও স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।
তবে শুধু আবাসনের সংখ্যা বাড়লেই পর্যটন শিল্পের পূর্ণাঙ্গ বিকাশ নিশ্চিত হয় না। পর্যটকদের নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও মানসম্মত আবাসন, স্থানীয় খাবার, পর্যটন তথ্য, পরিবহন, চিকিৎসা ও জরুরি সেবার সমন্বিত ব্যবস্থা প্রয়োজন।
বিশেষ করে পরিবার নিয়ে ভ্রমণকারী, নারী পর্যটক, বয়স্ক মানুষ ও দীর্ঘসময় অবস্থানকারী পর্যটকদের জন্য মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা জরুরি।
পর্যটকের চোখে অবকাঠামোর ঘাটতি:
ঢাকা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে খাগড়াছড়িতে বেড়াতে আসা রাহাত বলেন, খাগড়াছড়ি ছবির মতোই সুন্দর। সবুজ বন, পাহাড় ও ঝরণা অপরূপ। তবে এখানকার পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে তেমন অবকাঠামো নেই।
তার মতে, দেশের বিভিন্ন পার্কে আধুনিক রাইডসহ নানা বিনোদনসুবিধা রয়েছে। খাগড়াছড়ির পর্যটনকেন্দ্রগুলোতেও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কিছু বিনোদনসুবিধা তৈরি করা গেলে পর্যটকের অবস্থানের সময় বাড়তে পারে।
নাগরদোলা, বাম্পার কার, কেবল কার, চেয়ারলিফট, জিপলাইন, জায়ান্ট সুইং, ফ্লাইং চেয়ার, পর্যটন ট্রেন, এটিভি বা কোয়াড বাইক রাইডের মতো রাইড রাখা প্রয়োজন। এছাড়াও শিশুদের জন্যও পর্যাপ্ত বিনোদনসুবিধা থাকা দরকার।
তৈরি হতে পারে ‘ট্যুরিজম সার্কিট:
একটি পর্যটনকেন্দ্রের সঙ্গে আশপাশের কয়েকটি স্থানকে যুক্ত করে এক বা একাধিক ‘ট্যুরিজম সার্কিট’ তৈরি করা গেলে পর্যটকদের অবস্থানের সময় বাড়ানো সম্ভব। এতে হোটেল, পরিবহন, রেস্তোরাঁ, গাইড ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আয়ও বাড়বে।
পর্যটকদের জন্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা গেলে এ খাত আরও সংগঠিত হতে পারে। সেখানে পর্যটন স্পটের অবস্থান, যাতায়াত, আবাসন, গাইড, খাবার, নিরাপত্তা, জরুরি যোগাযোগ ও অনলাইন বুকিংয়ের তথ্য রাখা যেতে পারে।
সরকারি পরিকল্পনাও আছে:
পর্যটন উন্নয়ন নিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের পরিকল্পনা জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত বলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পর্যটনের জন্য সম্ভাবনাময়। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে এখানে পর্যটন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পর্যটন করপোরেশন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।
তিনি বলেন, সরকারের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উদ্যোগের মাধ্যমে পার্বত্য জেলায় পর্যটনের যে সম্ভাবনা রয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, পর্যটনের বিভিন্ন রাইডের মধ্যে ক্যাবল কার অন্যতম। এটি জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়নের একটি পরিকল্পনা রয়েছে। জেলা পরিষদের এ বিষয়ে একটি কার্যক্রম গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগেও ছোট ছোট কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।
উন্নয়ন হোক, তবে প্রকৃতি ও মানুষের স্বার্থে:
খাগড়াছড়ির পর্যটনকে কয়েকটি বিচ্ছিন্ন পর্যটনকেন্দ্রের সমষ্টি হিসেবে না দেখে জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সরকারি বিনিয়োগের পাশাপাশি স্থানীয় ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
তবে বিনিয়োগের শর্ত হতে হবে প্রকৃতি সংরক্ষণ, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ, পরিবেশগত ভারসাম্য, স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতি সম্মান এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা।
একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্য একটি কার্যকর আচরণবিধি প্রণয়ন জরুরি। পাহাড়ে বেড়াতে এসে পর্যটকরা যেন স্থানীয় সংস্কৃতি, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ, পরিবেশ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি সম্মানজনক আচরণ করেন, তা নিশ্চিত করতে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে প্লাস্টিক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পাহাড় ও ঝরণা রক্ষা, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী পর্যটকের সংখ্যা ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে হবে।
অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতাই হতে পারে টেকসই পর্যটনের ভিত্তি:
পর্যটনের মাধ্যমে যদি পাহাড়ের সাধারণ মানুষ বিকল্প আয়ের সুযোগ পান, নিজেদের ব্যবসা গড়ে তুলতে পারেন এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠেন, তাহলে সেটি শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়; সামাজিক স্থিতিশীলতারও ভিত্তি তৈরি করতে পারে।
তাই পর্যটনের বিরোধিতা বা উন্নয়নের নামে অন্ধ বিরোধিতা দুটির কোনোটিই কাম্য নয়। একইভাবে পর্যটনের নামে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার উপেক্ষা করাও গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজন স্বচ্ছতা, স্থানীয় অংশগ্রহণ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সবার জন্য ন্যায্য অর্থনৈতিক সুযোগ।
সবকিছুর সমন্বয় ঘটাতে পারলে পরতে পরতে সৌন্দর্যে ভরা খাগড়াছড়ি শুধু ভ্রমণপিপাসু মানুষের গন্তব্য থাকবে না; হয়ে উঠতে পারে স্থানীয় অংশীদারিত্বভিত্তিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটন অর্থনীতির একটি উদাহরণ। আর সেই অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সুফলভোগী হতে পারেন পাহাড়েরই সাধারণ মানুষ।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স